ভাসানচর সুন্দর আবাসন এলাকা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের অস্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভাসানচরকে আবাসন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, ভাসানচরকে সুন্দর আবাসন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর জন্য বাংলাদেশ নেভিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, চিকিৎসা, আবাসনসহ সব আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে শরণার্থী শিবির গড়ে তোলা হবে।

মিয়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের পুনর্বাসনের জন্য নির্ধারিত নোয়াখালীর ভাসানচর পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি হেলিকপ্টারযোগে ভাসানচরে নামেন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবারে মন্ত্রী বলেন, নোয়াখালীবাসীর রোহিঙ্গাদের নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। রোহিঙ্গাদের উপর প্রশাসনের শক্ত নজরদারি থাকবে। তবে সব কিছু এখনো পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। সফল হলে তাদের এখানে আনা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, পুলিশের চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ড. মনিরুজ্জামান, প্রকল্প পরিচালক ক্যাপ্টেন আমিনুল ইসলাম খান, জেলা প্রশাসক মাহবুবুল আলম তালুকদার, পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে ২০ কিলোমিটার পূর্বে মেঘনা নদীপথ পার হলে ভাসানচরের অবস্থান। বর্তমানে ওই চরে ১৬ হাজার একর ভূমি রয়েছে। মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে উঠা এ চর নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মানুষের বসবাসের উপযোগী করার কাজ চলছে।

মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ভাসানচরে আশ্রয় দেওয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *