নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু

নির্বাচন-কমিশনে-ইসি

নির্বাচন-কমিশনে-ইসিআকাশ২৪ ডেস্কঃ নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কমিশন সোমবার দল নিবন্ধন সংক্রান্ত এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দল ইসিতে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে নিবন্ধন ফরম ও অন্যান্য তথ্যের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিবের (নির্বাচন সহায়তা ও সরবরাহ) সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দলের গঠনতন্ত্র, নির্বাচনী ইশতেহার (যদি থাকে), দলের বিধিমালা (যদি থাকে), দলের লোগো ও পতাকার ছবি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সব সদস্যের পদবিসহ নামের তালিকা, দলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও এর সর্বশেষ স্থিতি ও তহবিলের উৎস নিবন্ধনের আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে। এ ছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে আবেদন দেওয়ার দিন পর্যন্ত কোনো একটি সংসদ নির্বাচনে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে অন্তত একটি আসন পেয়ে থাকে তার দলিল, নির্বাচনে অংশ নিয়ে মোট ভোটের শতকরা ৫ ভাগ ভোট পেয়ে থাকলে তার প্রত্যয়নপত্র এবং দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর এবং অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় কার্যকর জেলা দপ্তর, অন্তত ১০০টি উপজেলা-থানায় কার্যকর দপ্তর এবং প্রতি উপজেলায় অন্তত ২০০ ভোটার সদস্য হিসেবে দলের তালিকাভুক্ত থাকার সমর্থনে প্রামাণিক দলিল আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে। আগে ৪২টি দল নিবন্ধিত থাকলেও ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয়েছে। এছাড়া উচ্চ আদালতের রায়ে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।
গত ২০০৮ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথম রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন-প্রক্রিয়া শুরু হয়। জরুরি অবস্থার সরকারের সময় এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করে। ওই অনুযায়ী আরপিও সংশোধন করা হয়। এতে বলা হয়, দলগতভাবে নির্বাচন করতে হলে সেই দলের নিবন্ধন থাকতে হবে। এর আগে যেকোনও রাজনৈতিক দল দলগতভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারতো।

ঢাকায় কি বার্তা দিলেন সুষমা স্বরাজ

ঢাকায় কি করবেন সুষমা স্বরাজ

ঢাকায় কি করবেন সুষমা স্বরাজআকাশ২৪ ডেস্কঃ ঢাকায় সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন,  আমরা চাই নিরাপদে রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে ফিরে যাক। এ সঙ্কট নিরসনে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন দেখতে চায় ভারত।
রোববার (২২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
সুষমা বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের চ্যালেঞ্জগুলো একই। সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থী ও মৌলবাদিতা দুই দেশের চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নেওয়া জিরো টলারেন্স নীতির সঙ্গে আমরাও একমত হয়েছি।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে ভারত যেনো মিয়ানমারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করে সেজন্য আমারা অনুরোধ জানিয়েছি।
‘ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ-ভারত প্রতিবেশী দেশ, দুই দেশই পরস্পরের বিশ্বস্ত বন্ধু।’
বৈঠকে সুষমা স্বরাজকে এএইচ মাহমুদ আলী স্মরণ করিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, তার আমলেই তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন হবে। 

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগ

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগ

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগআকাশ২৪ রিপোর্টঃ নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে অংশ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সংসদীয় আসন অক্ষুন্ন রেখে ইলেকট্রনিক ভোটের (ইভিএম) প্রস্তাব দিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) একএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপে ইসির সভাকক্ষে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেয়। বুধবার সকাল ১১টায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে বসে নির্বাচন কমিশন। প্রায় দেড়ঘন্টা ধরে চলা  এসময় দলটির পক্ষ থেকে ১১টি প্রস্তাব দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা, নির্বাচনের তিন মাস আগে পোলিং এজেন্টদের পরিচয় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়া।

নির্বাচন কমিশন থেকে বের হয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন- ‘তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রার্থীদের বাছাই করে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী চূড়ান্ত করা। নির্বাচন পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে সবোর্চ্চ সচ্ছলতা সর্তকতা অবলম্বন করা।’তিনি আরও বলেন, কোনো ভাবেই কোনো বিশেষ দল বা ব্যক্তির প্রতি আনুগত্যশীল হিসেবে পরিচিত বা চিহ্নিত ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব প্রদান না করা।
সংলাপে দেয়া আওয়ামী লীগের ১১ প্রস্তাব

১। আরপিও-১৯৭২ ও দ্য ডিলিমিটেশন অব কনস্টিটিউশনস অর্ডিনেন্স-১৯৭৬ এর বাংলা প্রশংসনীয়। আওয়ামী লীগের সমর্থন থাকবে। আরপিও ৯৪/এ অনুসরণযোগ্য।
২। নির্বাচনে অবৈধ অর্থ ও পেশিশক্তির ব্যবহার রোধকল্পে সংবিধানে বর্ণিত নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশনা ও বিদ্যমান নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা নিরপেক্ষ ও কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।
৩। প্রজাতন্ত্রের কর্মে ও নির্বাচনী দায়িত্বে ব্যক্তি সংস্থার অপেশাদার ও দায়িত্বহীন আচরণে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা।
৪। বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের পরিবর্তে প্রজাতন্ত্রের দায়িত্বশীল কর্মচারীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার পদে নিয়োগ করা।
৫। নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রার্থীদের বাছাই করে সংশ্নিষ্ট রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের একটি চূড়ান্ত প্যানেল প্রণয়ন করা। প্রয়োজনে আরপিও এর প্রয়োজনীয় সংশোধন করা।
৬। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও সতর্কতা নিয়োগ। বিশেষ দল বা ব্যক্তির প্রতি আনুগত্যশীল ব্যক্তি বা সংস্থাকে দায়িত্ব না দেয়া।
৭। সাংবাদিকদের নির্বাচনী বিধিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালনে নির্দেশনা। গণমাধ্যম কর্মীদের উপযুক্ত পরিচয়পত্র প্রদান ও দায়িত্বকর্ম এলাকা নির্ধারণ।
৮। প্রার্থীদের নিয়োজিত পোলিং এজেন্টদের তালিকা ছবিসহ নির্বাচনের ৩ দিনের আগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রদান। প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক নিশ্চিত করে কেন্দ্রে প্রবেশ ও ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র অবস্থান নিশ্চিত করা।
৯। সুষ্ঠু নির্বাচনে বর্তমান বিধিবিধানের পাশাপাশি আধুনিক রাষ্ট্রসমূহের মতো ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা।
১০। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনির হাতে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেয়া। প্রতিরক্ষা বাহিনিকে আইনশৃঙ্খলা কাজে অন্তর্ভুক্ত করতে কোন কোন রাজনৈতিক দলের প্রস্তাব দেয়া আইন ও সাংবিধানিক নিয়মে সাংঘর্ষিক। আইনশৃংখলার ক্ষেত্রে কোন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা বাহিনিকে নিয়োগ করা যাবে তা ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা বিধিমালায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। প্রতিরক্ষা বাহিনিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনির দায়িত্ব দিলে তাদের মর্যাদা বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১১। নতুন আদমশুমারি ব্যতিত নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য সীমানা পুনর্নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সীমানা পুনর্নির্ধারণ না করা।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাচন ভবনে পৌঁছান আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের নেতারা। প্রতিনিধিদলে ছিলেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম ও মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও মশিউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান ও রমেশ চন্দ্র সেন, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ জমির ও মো. রশিদুল আলমও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজুল কবির কাওছার।

অবশেষে দেশের মাটিতে খালেদা জিয়া

Khaleda-Zia-BNP

Khaleda-Zia-BNPআকাশ২৪ রিপোর্টঃ দীর্ঘ  তিন মাসের বেশি সময় লন্ডনে অবস্থানের পর দেশের মাটিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আজ বুধবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার দেশে আসা না আসা নিয়ে ছিল নানান গুঞ্জন। দলের ভিতরে বাহিরে এ নিয়ে চলছিল আলোচনা সমালোচনা। সব জল্পনা কল্পনার অসবাস ঘটিয়ে খালেদা জিয়া এখন বাংলাদেশে।

বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানে বাসভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন।
এর আগে খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি পান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, দেহরক্ষী মাসুদ রানা ও গুলশানের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের কর্মচারী জসিম।

খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরের বাইরে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী ভিড় জমিয়েছেন। বনানীর রেডিসন ব্লু হোটেল পর্যন্ত বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ছাত্রদলসহ অন্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও দলে দলে যোগ দিয়েছেন।
এর আগে লন্ডনের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা ১৫ মিনিট) খালেদা জিয়াকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি (ইকে-৫৮৬) হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে ছাড়ে।
বিমানে ওঠার আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া। ভিআইপি টার্মিনাল থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এই বক্তব্য দেন তিনি। নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরের বাইরে দাঁড়িয়ে দলীয়প্রধানের বক্তব্য শোনেন।
পরে দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী এমন একসময়ে দেশে ফিরছেন, যখন তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
বাসে পেট্রলবোমা হামলার মামলায় গত ৯ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন বেগম। এ ছাড়া ১২ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকায় দুটি আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মানহানির মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নবী এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আক্তারুজ্জামান এ দুটি পরোয়ানা জারি করেন।
বিএনপি মনে করে, রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন।

সংলাপে জাতীয় পার্টির সাথে সুর মেলালো বিএনপি

ইসির সংলাপে জাতীয় পার্টির সাথে সুর মেলালো বিএনপি

ইসির সংলাপে জাতীয় পার্টির সাথে সুর মেলালো বিএনপিআকাশ২৪ রিপোর্টঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৪ আগস্ট থেকে রাজনৈতিক  দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চলা সংলাপের অংশ হিসাবে আজ বিএনপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপ করে। বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।যদিও বিএনপি ইসিকে ১৭ সদস্য সংলাপে অংশ নেবে বলে একটি তালিকা দিয়ে জানিয়েছিল। কিন্তু ওই তালিকায় থাকা এমকে আনোয়ার এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত হননি।

নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া এবং নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনসহ একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উত্থাপন পেশ করে বিএনপি।  বিএনপির পক্ষ থেকে একটি লিখিত প্রস্তাবনায় এ পর্যন্ত সুপারিশগুলোর মধ্যে সারাদেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন,সেনা মোতায়েন, বর্তমান সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন, প্রতি ভোটকেন্দ্রে সিসি টিভি/ক্যামেরা স্থাপন, নবম সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন, দশম সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন, ‘না ভোট’ প্রবর্তন, প্রবাসে ভোটারধিকার প্রয়োগ, জাতীয় পরিষদ গঠন, নির্বাচনকালীন অস্থায়ী সরকার গঠন, নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া, রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার, নির্বাচনকালীন সময়ে ইসির অধীনে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, দলের নির্বাহী কমিটিতে বাধ্যতামূলকভাবে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান তুলে নেওয়া অন্যতম। লিখিত প্রস্তাবে দলটি নিরপেক্ষ সরকারের কোনো রূপরেখা তুলে ধরেনি। পরে তারা এই রূপরেখা দেবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।  

এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে মতবিনিময়কালে সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। 

বিএনপির প্রতিনিধিদলে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, তরিকুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাবেক সচিব আবদুল হালিম, ক্যাপ্টেন সুজাউদ্দিন, সাবেক শিক্ষক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ উপ‌স্থিত র‌য়ে‌ছেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপের সম্ভাব্য রূপরেখা ও প্রস্তাব নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলটির শীর্ষ নেতারা। ওই বৈঠকেই প্রস্তাবনার খসড়া তৈরি করে লন্ডনে অবস্থিত দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন তারেক রহমানের কাছে পাঠান হয়।

পরবর্তীতে খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া দলের শীর্ষ নেতাদের প্রস্তাবনার খসড়া কিছুটা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে তা চূড়ান্ত করেন। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের এক সদস্য সম্প্রতি লন্ডনে যান। ওই সদস্যের উপস্থিতিতেই প্রস্তাবনাগুলো চূড়ান্ত করা হয় বলে জানা গেছে।

মেডিকেল ভর্তি। কোটার ম্যারপ্যাঁচে মেধাবীরা বঞ্চিত

আকাশ২৪ রিপোর্টঃ মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৭০-৮০ নম্বর পেয়েও সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন হাজারো ছাত্রছাত্রী। অপর দিকে ভর্তি পরীক্ষায় মাত্র ৬৫ দশমিক ৫ নম্বর থেকে ৫৭ দশমিক ৫ নম্বর পেয়েও অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। বিভিন্ন সংরক্ষিত কোটার ম্যারপ্যাঁচে অনেক বেশি নম্বর পেয়েও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর মেডিকেল কলেজে পড়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের ৩১টি সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট ৩ হাজার ৩১৮টি আসনের মধ্যে ৩ হাজার ২৩১টি সাধারণ আসন, মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও নাতি-নাতনিদের জন্য ৬৭টি এবং পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর জন্য ২০টি আসন সংরক্ষিত। সাধারণ আসনের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। চলতি বছরের মেডিকেল ভর্তির প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, ১০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দশমিক ৫ পেয়েছেন দু’জন ছাত্র । ৮০ থেকে ৯০ প্রাপ্তের সংখ্যা ৬৪৩ জন (৩২১ জন ছাত্রছাত্রী)।

৭০ থেকে ৮০ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩ হাজার ৭৬৮ (ছাত্র ১ হাজার ৬৯৭ ও ছাত্রী ২০৭১ জন)। সাধারণ কোটায় ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৯০ দশমিক ৫ ও সর্বনিম্ন ৭০ দশমিক ৫ পেয়ে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, সাধারণ আসনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন বিভাগের জন্য কোটা সংরক্ষিত রযেছে। সে কোটায় সর্বনিম্ন ৬৫ দশমিক ৫ নম্বর পেয়েও ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন অনেকে।

পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর উপজাতী ছাত্রছাত্রীরা সর্বনিম্ন ৫৭ দশমিক ৫ পেয়েও সরকারি মেডিকেলে ভর্তির জন্য নির্বাাচিত হন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কোটা পদ্ধতির কারণে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়েও ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী ৮২ হাজার ৮৫৬ জনের মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৮০ হাজার ৮১৮ জন। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে নেয়া পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। ৪০ নম্বর পেয়ে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৪১ হাজার ১৩২ জন। তাদের মধ্যে ১৯ হাজার ৯১২ জন ছাত্র ও ২১ হাজার ২১০ জন ছাত্রী।

হরতাল। মাঠে নেই জামাত। সবকিছু স্বাভাবিক

জামাত হরতাল

জামাত হরতালআকাশ২৪ রিপোর্টঃ জামায়াত ইসলামির আমির মকবুল আহমাদসহ কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শুরু হলেও রাজধানীসহ সারাদেশে হরতালের কোনো চিত্র চোখে পড়েনি। অন্য দিনের মতোই মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মহাসড়ক , রেল , নদীপথেও কোন ধরনের বাধা বিপত্তির খবর জানা যায়নি। আমদানী-রপ্তানী বন্দরগুলোতে চলছে নিয়মিত কার্যক্রম। সকাল থেকে দূরপাল্লার ও অভ্যন্তরীণ রুটের সব ধরনের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং অফিস-আদালতে শিক্ষার্থীসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ছিল প্রতিদিনের মতোই। সবকিছু স্বাভাবিক থাকার পরও যে কোনো ধরনের অপতৎপরতা রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, হরতালে নগরীজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোর থেকে রাস্তায় পুলিশ ও র‌্যাবের টহল চলছে। হরতালের সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সতর্কাবস্থায় রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে মঙ্গলবার জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এ হরতাল কর্মসূচির ঘোষণা দেন। শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল সফল করতে জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়ে দলের নতুন ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এক বিবৃতিতে জানান, সারাদেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এবং গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের মুক্তির জন্য আগামী শুক্রবার দেশব্যাপী দোয়া দিবস হিসেবে পালিত হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, সংবাদপত্র সংশ্লিষ্ট গাড়ি এবং ওষুধের দোকান হরতালের আওতামুক্ত থাকবে।

ফেইসবুকের প্রশিক্ষণ পাচ্ছে দেশের দশ হাজার তরুণ-তরুণী

Facebook Training

Facebook Trainingআকাশ২৪ রিপোর্টঃ বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ‘বুস্ট ইওর বিজনেস (#BoostYourBusiness)’ নামের একটি প্রকল্প চালু করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় আগামী ৬ মাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্প থেকে আইটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১০ হাজার তরুণ-তরুণী ও উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর প্রশিক্ষণ দেবে।
আজ (সোমবার) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
এ সময় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার, এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল করিম, এলআইসিটি কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ, ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়ার পলিসি প্রোগ্রামের প্রধান রিতেশ মেহতা, মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট এন্ড কমিউনিকেশনসের (এমসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ আবীর উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের দর্শনের মূলে রয়েছে প্রতিটি অঞ্চল ও সব মানুষের উন্নয়ন এবং প্রতিটি মানুষকে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা। আইসিটি ডিভিশন ও ফেসবুকের ‘বুস্ট ইউর বিজনেস’ প্রোগ্রাম দেশে উদ্যোক্তা তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। যা মূলত ব্যবসার প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
এলআইসিটি প্রকল্প যুক্তরাজ্যভিত্তিক আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং এর মাধ্যমে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণে মোট ৩০ হাজার দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলছে। ইতিমধ্যে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ১৪ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এদের মধ্য থেকে ১০ হাজার জনকে ফেসবুক ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে। এসব তরুণ-তরুণী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়ার পলিসি প্রেগ্রামের প্রধান রিতেশ মেহতা বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাই অধিকাংশ অর্থনীতির মেরুদন্ড। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) খাতের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। ফেসবুক বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দেশ-বিদেশের বাজারে প্রবেশাধিকারে সহযোগিতা করতে পারে।
রিতেশ বলেন, ফেসবুকের ‘বুস্ট ইওর বিজনেস’ প্রোগ্রাম এলআইসিটি প্রকল্প এবং মাল্টিমিডিয়া কনেটেন্ট এন্ড কমিউনিকেশনসের (এমসিসি) সহযোগিতায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের যুগোপযোগি প্রশিক্ষণে দক্ষ করে তুলবে এবং তারা নতুন নতুন ক্রেতা সৃষ্টি ও ব্যবসার প্রসার ঘটিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

এবার বুঝি এসেই যাবে পেপাল

Paypal

Paypalআকাশ২৪ ডেস্কঃ পেপাল নিয়ে দেশের ফ্রিল্যান্সারদের আগ্রহে ভাটা পড়ছিল দিনে দিনে। আশা একরকম ছেড়েই দিয়েছিল। এরই মাঝখানে আবারো আশার বানী শুনতে পেল ফ্যিল্যান্সাররা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের মুখে আসল পেপাল আসার কথা শোনা গেল। “বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭” এর দ্বিতীয় দিন তথা ১৯ অক্টোবর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্ঠা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে পেপাল সেবার উদ্বোধন করবেন। আর কেবল সোনালী ব্যাংক নয় সোনালী, রূপালী সহ নয়টি ব্যাংক থেকে পাওয়া যাবে পেপাল সেবা। আর এতে করে দেশে ভার্চুয়াল অর্থ আদান প্রদান বাড়বে। দেশের রেমিটেন্স বৃদ্ধি পাবে।

পেপাল দীর্ঘ একবছর যাবত বাংলাদেশের বাজার যাচাই-বাছাই এবং তাদের বিভিন্ন ব্যবসায়িক পরীক্ষা চালিয়েছে। একটি সম্পূর্ণ নতুন কারেন্সী পেপাল এর সেবায় যুক্ত করতে যেসকল দিক দেখা লাগে তা সব তারা দেখেছে। সর্বশেষ পরীক্ষামূলকভাবে তারা পেপাল এর একটি সেবা “জুৃম” সোনালী ব্যাংক এর মাধ্যমে চালু করেছে। সর্বশেষ কোম্পানিটি সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক লাভ এবং দেশের মানুষের চাহিদার কথা চিন্তা করে পুরোপুরিভাবে কার্যক্রম শুরু করতে চলেছে। দেশের শীর্ষস্হানীয় ৯ টি ব্যাংকের ১০ হাজারের অধিক শাখা থেকে পেপাল এর সেবা মিলবে।
কিছুদিন আগে গুগলের সেরা এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা এডসেন্স বাংলা ভাষায়ও উপযোগী বলে ঘোষনা দিয়েছে – যদিও টেকনিকাল কারনে এখন এডসেন্স সেবা বাংলার জন্য শুরু হয়, অচিরেই হবে। দ্বিতীয়ত অফিসিয়ালি পেপাল এর আগমন – এই দুইয়ে মিলে বাংলাদেশের অনলাইন সেক্টরে এক নতুন মাত্রা সৃষ্টি হবে।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর ৯০.৫, সর্বনিম্ন ৭০.৫

medical-admission-bd

medical-admission-bdআকাশ২৪ রিপোর্টঃ এ বছর এমবিবিএস প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (৯ই অক্টোম্বর) বিকেল পৌনে ৬টার কিছু আগে এ ফল প্রকাশিত হয়। জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সরকারি ৩১টি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৩ হাজার ৩১৮ পরীক্ষার্থী। অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে ৫০০ জনকে।
১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৯০ দশমিক ৫ ও সর্বনিম্ন ৭০ দশমিক ৫। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ ফলাফল প্রকাশের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। অধিদপ্তর সূত্রে আরো জানা গেছে , জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কাছে এসএমএসের মাধ্যমে ফল স্বল্পতম সময়ে পৌঁছে যাবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইট ( http://result.dghs.gov.bd ) থেকে ফল জানা যাবে।
গত শুক্রবার সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের (২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ) এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী ৮২ হাজার ৮৫৬ জনের মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৮০ হাজার ৮১৮ জন।  মোট ২ হাজার ৪৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে সরকারি কলেজে আসন সংখ্যা ৩ হাজার ৩১৮ এবং বেসরকারি কলেজের আসন সংখ্যা ৬ হাজার ২৫০।
এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ওভারসাইট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম সারোয়ার, নাইমুল ইসলাম খান, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, বিএসএমএমইউ ভিসি প্রফেসর ডা. কামরুল হাসান খান, বিএমএর সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন প্রমুখ ছিলেন। তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ এবং ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছরের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৮৫ হাজার ২০৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে পাস করেছিল ২৯ হাজার ১৮৩ জন। বাকি ৫৬ হাজার ২৪ জন অকৃতকার্য হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর ছিল ৮৫।