ঢাকা মহানগর দঃ ৪৯ নং ওয়ার্ড কৃষকলীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষনা

কৃষক লীগ

কৃষক লীগআকাশ২৪ ডেস্কঃ ঢাকা মহানগর দঃ ৪৯ নং ওয়ার্ড বাংলাদেশ কৃষকলীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষিত হয়েছে। ৪৯ নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশ্রাফুজ্জামান সজিব কে আহ্বায়ক এবং একই ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ সাবেক সাধারন সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম জনী, সাবেক ছাত্রনেতা মেহদী হাসান স্বপন, রনী হোসেন সাগর ও মোঃ সুমনকে যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত করা হয়েছে। কৃষক লীগ যাত্রাবাড়ী থানার সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নব গঠিত আহ্বায়ক কমিটির সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকা-৫ আসনের মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা এবং ডেমরা থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান মোল্লা সজল, ঢাকা মহানগর (দঃ) ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক আহমেদ জসীম সহ সাবেক ছাত্র নেতারা। এছাড়া শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দঃ কৃষকলীগ সভাপতি আব্দুস সালাম বাবু, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রব খান, যুগ্ম সম্পাদক এম এ মান্নান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি ও ঢাকা মহানগর(দঃ) কৃষকলীগের বন- পরিবেশ সম্পাদক হাসান মাহমুদ অপু, ডেমরা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি সিফাত সাদেকিন চপল, যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক শাকিল হোসেন আানন্দ, যাত্রাবাড়ী থানা কৃষকলীগ সভাপতি আনিসুর রহমান, ৪৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ৪৯ নং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম নিপু ও কামাল পাশা মিলন, সাবেক সাবেক সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু। 

স্বেচ্ছাসেবক লীগ ‘সাইনবোর্ড সর্বস্ব’ সংগঠন- ওবাইদুল কাদের

আকাশ২৪ ডেস্কঃ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের কঠোর সমালোচনা করলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। স্বেচ্ছাসেবক লীগকে তিনি অভিহিত করলেন ‘সাইনবোর্ড সর্বস্ব’ সংগঠন হিসেবে। আর ছাত্রলীগকে নিয়ে বললেন, ‘আওয়ামী লীগ ও সরকার খেটেখুটে যে সুনাম অর্জন করে, তা ছাত্রলীগের একদিনের অপকর্মেই ধ্বংস হয়ে যায়।’
বুধবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলী ও দলের সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের এক যৌথ সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বেই এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক নেতা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত না করায় সভায় সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক লীগ এখন সাইনবোর্ড সর্বস্ব সংগঠনে পরিণত হয়েছে। এই দলের নেতা সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার ও সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ। তোমাদের এর আগেও পাঁচবার সম্মেলন করার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তোমাদের সারাদেশে অনেক জেলাতেই কমিটি আছে দুই জনের। কোথাও আছে আহ্বায়ক কমিটি। সামনে নির্বাচন। এসময় সহযোগী সংগঠনগুলো এমন অসংগঠিত হয়ে পড়াটা ঠিক নয়।’

এসময় ওবায়দুল কাদেরকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার বলেন, ‘সম্মেলনের তারিখ আপনেই ঠিক করে দিন।’ জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি কেন ঠিক করে দেবো? তোমরা ঠিক করে আমাকে জানাও। আমি নেত্রীকে (শেখ হাসিনা) জানাবো।’
এর মধ্যে সভাস্থলে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন প্রবেশ করলে তাদের প্রতি ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও সরকার খেটেখুটে যে সুনাম অর্জন করে, তা ছাত্রলীগের একদিনের অপকর্মেই ধ্বংস হয়ে যায়।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘সিলেটে আমরা আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহের মতো একটি বড় কর্মসূচি পালন করে আসলাম। এরপরই সেখানে ছাত্রলীগের গণ্ডগোলে দুই জন মারা গেলো। এটি আমাদের দলের জন্য দুর্নাম।’ তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের কারণেই আওয়ামী লীগ বারবার ক্ষমতা হারায়।’
দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওবায়দুল কাদের এভাবে প্রায় ১০ মিনিট ধরে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর প্রতি বিষোদগার করেন। পরে তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের নির্দেশ দেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো ‘ঐতিহাসিক দলিলে’র স্বীকৃতি দেওয়ায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি হাতে নেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে এই সভায়।

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াহাব আর নেই

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াহাব

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াহাবআকাশ২৪ রিপোর্টঃ সিরাজগঞ্জের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ একাত্তরের সম্মুখ রনাঙ্গনের  বীর মুক্তিযোদ্ধা, সিরাজগঞ্জ জেলা জেএসডি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক, সাবেক সদস্য জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটি, আলহাজ্ব শামছুল ইসলাম সেলিম সৃতি পরিষদের সভাপতি গাজী স.ম.আবদুল ওয়াহাব ২৪অক্টোবর মঙ্গলবার দিবাগত রাত এগারোটায় হ্রদরোগে আক্রান্ত হয়ে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বুধবার বাদ যোহর লাহিড়ী মোহনপুর বাজার নিকটবর্তী  চরমোহনপুর ঈদগাহ ময়দানে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হয়। পরে তাকে স্থানীয় কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার সরকার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডঃ মারুফ বিন হাবিব, সহকারী কমিশনা(ভুমি) ফারুক সুফিয়ান, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা,  স্থানীয় বিএনপি সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, মুক্তিযোদ্ধা আঃ হামিদ সরকার সহ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ। একজন সৎ আদর্শবান, স্পষ্টভাষী সহজ সরল মানুষ হিসাবে ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। অত্যন্ত সাধারনভাবে জীবনযাপন করাসহ ব্যক্তিজীবনে তিনি চিরকুমার ছিলেন।

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগ

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগ

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগআকাশ২৪ রিপোর্টঃ নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে অংশ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সংসদীয় আসন অক্ষুন্ন রেখে ইলেকট্রনিক ভোটের (ইভিএম) প্রস্তাব দিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) একএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপে ইসির সভাকক্ষে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেয়। বুধবার সকাল ১১টায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে বসে নির্বাচন কমিশন। প্রায় দেড়ঘন্টা ধরে চলা  এসময় দলটির পক্ষ থেকে ১১টি প্রস্তাব দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা, নির্বাচনের তিন মাস আগে পোলিং এজেন্টদের পরিচয় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়া।

নির্বাচন কমিশন থেকে বের হয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন- ‘তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রার্থীদের বাছাই করে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী চূড়ান্ত করা। নির্বাচন পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে সবোর্চ্চ সচ্ছলতা সর্তকতা অবলম্বন করা।’তিনি আরও বলেন, কোনো ভাবেই কোনো বিশেষ দল বা ব্যক্তির প্রতি আনুগত্যশীল হিসেবে পরিচিত বা চিহ্নিত ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব প্রদান না করা।
সংলাপে দেয়া আওয়ামী লীগের ১১ প্রস্তাব

১। আরপিও-১৯৭২ ও দ্য ডিলিমিটেশন অব কনস্টিটিউশনস অর্ডিনেন্স-১৯৭৬ এর বাংলা প্রশংসনীয়। আওয়ামী লীগের সমর্থন থাকবে। আরপিও ৯৪/এ অনুসরণযোগ্য।
২। নির্বাচনে অবৈধ অর্থ ও পেশিশক্তির ব্যবহার রোধকল্পে সংবিধানে বর্ণিত নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশনা ও বিদ্যমান নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা নিরপেক্ষ ও কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।
৩। প্রজাতন্ত্রের কর্মে ও নির্বাচনী দায়িত্বে ব্যক্তি সংস্থার অপেশাদার ও দায়িত্বহীন আচরণে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা।
৪। বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের পরিবর্তে প্রজাতন্ত্রের দায়িত্বশীল কর্মচারীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার পদে নিয়োগ করা।
৫। নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রার্থীদের বাছাই করে সংশ্নিষ্ট রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের একটি চূড়ান্ত প্যানেল প্রণয়ন করা। প্রয়োজনে আরপিও এর প্রয়োজনীয় সংশোধন করা।
৬। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও সতর্কতা নিয়োগ। বিশেষ দল বা ব্যক্তির প্রতি আনুগত্যশীল ব্যক্তি বা সংস্থাকে দায়িত্ব না দেয়া।
৭। সাংবাদিকদের নির্বাচনী বিধিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালনে নির্দেশনা। গণমাধ্যম কর্মীদের উপযুক্ত পরিচয়পত্র প্রদান ও দায়িত্বকর্ম এলাকা নির্ধারণ।
৮। প্রার্থীদের নিয়োজিত পোলিং এজেন্টদের তালিকা ছবিসহ নির্বাচনের ৩ দিনের আগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রদান। প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক নিশ্চিত করে কেন্দ্রে প্রবেশ ও ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র অবস্থান নিশ্চিত করা।
৯। সুষ্ঠু নির্বাচনে বর্তমান বিধিবিধানের পাশাপাশি আধুনিক রাষ্ট্রসমূহের মতো ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা।
১০। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনির হাতে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেয়া। প্রতিরক্ষা বাহিনিকে আইনশৃঙ্খলা কাজে অন্তর্ভুক্ত করতে কোন কোন রাজনৈতিক দলের প্রস্তাব দেয়া আইন ও সাংবিধানিক নিয়মে সাংঘর্ষিক। আইনশৃংখলার ক্ষেত্রে কোন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা বাহিনিকে নিয়োগ করা যাবে তা ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা বিধিমালায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। প্রতিরক্ষা বাহিনিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনির দায়িত্ব দিলে তাদের মর্যাদা বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১১। নতুন আদমশুমারি ব্যতিত নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য সীমানা পুনর্নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সীমানা পুনর্নির্ধারণ না করা।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাচন ভবনে পৌঁছান আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের নেতারা। প্রতিনিধিদলে ছিলেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম ও মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও মশিউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান ও রমেশ চন্দ্র সেন, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ জমির ও মো. রশিদুল আলমও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজুল কবির কাওছার।

অবশেষে দেশের মাটিতে খালেদা জিয়া

Khaleda-Zia-BNP

Khaleda-Zia-BNPআকাশ২৪ রিপোর্টঃ দীর্ঘ  তিন মাসের বেশি সময় লন্ডনে অবস্থানের পর দেশের মাটিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আজ বুধবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার দেশে আসা না আসা নিয়ে ছিল নানান গুঞ্জন। দলের ভিতরে বাহিরে এ নিয়ে চলছিল আলোচনা সমালোচনা। সব জল্পনা কল্পনার অসবাস ঘটিয়ে খালেদা জিয়া এখন বাংলাদেশে।

বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানে বাসভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন।
এর আগে খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি পান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, দেহরক্ষী মাসুদ রানা ও গুলশানের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের কর্মচারী জসিম।

খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরের বাইরে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী ভিড় জমিয়েছেন। বনানীর রেডিসন ব্লু হোটেল পর্যন্ত বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ছাত্রদলসহ অন্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও দলে দলে যোগ দিয়েছেন।
এর আগে লন্ডনের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা ১৫ মিনিট) খালেদা জিয়াকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি (ইকে-৫৮৬) হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে ছাড়ে।
বিমানে ওঠার আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া। ভিআইপি টার্মিনাল থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এই বক্তব্য দেন তিনি। নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরের বাইরে দাঁড়িয়ে দলীয়প্রধানের বক্তব্য শোনেন।
পরে দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী এমন একসময়ে দেশে ফিরছেন, যখন তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
বাসে পেট্রলবোমা হামলার মামলায় গত ৯ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন বেগম। এ ছাড়া ১২ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকায় দুটি আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মানহানির মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নবী এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আক্তারুজ্জামান এ দুটি পরোয়ানা জারি করেন।
বিএনপি মনে করে, রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন।

সংলাপে জাতীয় পার্টির সাথে সুর মেলালো বিএনপি

ইসির সংলাপে জাতীয় পার্টির সাথে সুর মেলালো বিএনপি

ইসির সংলাপে জাতীয় পার্টির সাথে সুর মেলালো বিএনপিআকাশ২৪ রিপোর্টঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৪ আগস্ট থেকে রাজনৈতিক  দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চলা সংলাপের অংশ হিসাবে আজ বিএনপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপ করে। বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।যদিও বিএনপি ইসিকে ১৭ সদস্য সংলাপে অংশ নেবে বলে একটি তালিকা দিয়ে জানিয়েছিল। কিন্তু ওই তালিকায় থাকা এমকে আনোয়ার এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত হননি।

নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া এবং নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনসহ একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উত্থাপন পেশ করে বিএনপি।  বিএনপির পক্ষ থেকে একটি লিখিত প্রস্তাবনায় এ পর্যন্ত সুপারিশগুলোর মধ্যে সারাদেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন,সেনা মোতায়েন, বর্তমান সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন, প্রতি ভোটকেন্দ্রে সিসি টিভি/ক্যামেরা স্থাপন, নবম সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন, দশম সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন, ‘না ভোট’ প্রবর্তন, প্রবাসে ভোটারধিকার প্রয়োগ, জাতীয় পরিষদ গঠন, নির্বাচনকালীন অস্থায়ী সরকার গঠন, নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া, রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার, নির্বাচনকালীন সময়ে ইসির অধীনে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, দলের নির্বাহী কমিটিতে বাধ্যতামূলকভাবে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান তুলে নেওয়া অন্যতম। লিখিত প্রস্তাবে দলটি নিরপেক্ষ সরকারের কোনো রূপরেখা তুলে ধরেনি। পরে তারা এই রূপরেখা দেবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।  

এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে মতবিনিময়কালে সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। 

বিএনপির প্রতিনিধিদলে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, তরিকুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাবেক সচিব আবদুল হালিম, ক্যাপ্টেন সুজাউদ্দিন, সাবেক শিক্ষক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ উপ‌স্থিত র‌য়ে‌ছেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপের সম্ভাব্য রূপরেখা ও প্রস্তাব নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলটির শীর্ষ নেতারা। ওই বৈঠকেই প্রস্তাবনার খসড়া তৈরি করে লন্ডনে অবস্থিত দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন তারেক রহমানের কাছে পাঠান হয়।

পরবর্তীতে খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া দলের শীর্ষ নেতাদের প্রস্তাবনার খসড়া কিছুটা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে তা চূড়ান্ত করেন। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের এক সদস্য সম্প্রতি লন্ডনে যান। ওই সদস্যের উপস্থিতিতেই প্রস্তাবনাগুলো চূড়ান্ত করা হয় বলে জানা গেছে।

সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার প্রস্তাব দিলেন এরশাদ

এরশাদ

এরশাদআকাশ২৪ রিপোর্টঃ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে মতবিনিময়কালে সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসি’র সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় ৮টি প্রস্তাবের মধ্যে সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার প্রস্তাবটি রয়েছে।
সোমবার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, ইসির ভারপ্রাপ্ত সভাপতিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ২৫ জন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান লিখিতভাবে ৮টি প্রস্তাব দেন। সেগুলো হলো- নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ওপর অন্তবর্তী সরকারের হস্তক্ষেপ করা চলবে না। নির্বাচনের সময় সারা দেশে স্বশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার পর নির্দিষ্ট সময়ে সংসদ ভেঙে দিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল দলের আনুপাতিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অন্তবর্তী সরকার গঠন করতে হবে। দলীয় প্রধানের সুপারিশের ভিত্তিতে অন্তবর্তী মন্ত্রিসভার সদস্য নিয়োগ করতে হবে। নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসন কোনো বিতর্কিত কর্মকর্তাকে দায়িত্বে রাখা যাবে না। নির্বাচনী ব্যয় সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে সব খরচ তার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে কঠোরতা আরোপ করতে হবে। প্রচার কাজের গাড়িবহর সীমিত রাখার বিধান রাখতে হবে। সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণ প্রসঙ্গে বারবার সীমানা নির্ধারণ না করে ভোটের আনুপাতিক হারে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রয়োজনে সংবিধানের ধারা, উপধারা সংশোধন করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিয়ে আসতে হবে এবং নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে বিবেচনা করতে হবে।
এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির একটি সুনির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব রয়েছে। নির্বাচন শুধু দলের ভিত্তিতে হতে পারে। অর্থাৎ, ভোটাররা দলকে ভোট দেবেন। সরাসরি প্রার্থীকে নয়। প্রত্যেক দল প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে সংসদীয় আসনের সদস্য পাবে। বর্তমান বিশ্বে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত যেসব দেশে এই পদ্ধতির প্রচলন রয়েছে সেসব দেশকে অনুসরণ করা যেতে পারে।
ইসি ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ৩১ জুলাই নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এর পর ২৪ আগস্ট থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে কমিশন।

মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্রুত আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে দেশের শীর্ষ দুই রাজনীতিক এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তারা মিয়ানমার সরকারের উদ্দেশে বলেন, রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে খুন, অগ্নিসংযোগ, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় লাখ লাখ মানুষকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করা বন্ধ করতে হবে। এসব অপরাধের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।

তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে মিয়ানমারে ফেরত নিতে হবে এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মিয়ানমার সরকারের গঠিত কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে তাদের সসম্মানে পুনর্বাসন করতে হবে।

তারা আরো বলেন, রাশিয়া, চীন, ভারতসহ মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অন্যান্য রাষ্ট্রকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে মিয়ানমার সরকারকে তাদের সৃষ্ট সমস্যার গভীরতা উপলব্ধি করে এ সংকটের দ্রুত সমাধান করতে আহ্বান জানান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন।

তারা বলেন, উভয় দেশের মধ্যে এ ধরনের অনভিপ্রেত ও অমানবিক সমস্যার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতেই হবে এবং বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সুন্দর প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক সৃষ্টির ভিত্তি এখনই স্থাপন করতে হবে। শুধু তাই নয়, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমঝোতামূলক আদান-প্রদান হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তাই উভয় দেশকে অনতিবিলম্বে আলোচনার টেবিলে বসার বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য, এই দুই নেতা গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেন।

বিএনপির নেতাকর্মীদের কারাগারে নেওয়ার নীলনকশা

ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের কারাগারে নেওয়ার নীলনকশা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার।

শাহবাগ থানা বিএনপির নেতা তৌহিদুল ইসলাম বাবু এবং মো. জহিরকে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ অভিযোগ করেন।

বিবৃতিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশে অব্যাহতভাবে বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুয়া মামলা দায়েরের মাধ্যমে চলছে গ্রেপ্তার অভিযান। রাষ্ট্রক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে কারাগারে পুরে রাখার নীলনকশা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী।’

তৌহিদুল ইসলাম বাবু এবং মো. জহিরকে গ্রেপ্তারের ঘটনা চলমান দুঃশাসনেরই অংশ, এ মন্তব্য করে তাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান হাবিব উন নবী সোহেল ও কাজী আবুল বাশার।