স্বেচ্ছাসেবক লীগ ‘সাইনবোর্ড সর্বস্ব’ সংগঠন- ওবাইদুল কাদের

আকাশ২৪ ডেস্কঃ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের কঠোর সমালোচনা করলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। স্বেচ্ছাসেবক লীগকে তিনি অভিহিত করলেন ‘সাইনবোর্ড সর্বস্ব’ সংগঠন হিসেবে। আর ছাত্রলীগকে নিয়ে বললেন, ‘আওয়ামী লীগ ও সরকার খেটেখুটে যে সুনাম অর্জন করে, তা ছাত্রলীগের একদিনের অপকর্মেই ধ্বংস হয়ে যায়।’
বুধবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলী ও দলের সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের এক যৌথ সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বেই এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক নেতা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত না করায় সভায় সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক লীগ এখন সাইনবোর্ড সর্বস্ব সংগঠনে পরিণত হয়েছে। এই দলের নেতা সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার ও সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ। তোমাদের এর আগেও পাঁচবার সম্মেলন করার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তোমাদের সারাদেশে অনেক জেলাতেই কমিটি আছে দুই জনের। কোথাও আছে আহ্বায়ক কমিটি। সামনে নির্বাচন। এসময় সহযোগী সংগঠনগুলো এমন অসংগঠিত হয়ে পড়াটা ঠিক নয়।’

এসময় ওবায়দুল কাদেরকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার বলেন, ‘সম্মেলনের তারিখ আপনেই ঠিক করে দিন।’ জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি কেন ঠিক করে দেবো? তোমরা ঠিক করে আমাকে জানাও। আমি নেত্রীকে (শেখ হাসিনা) জানাবো।’
এর মধ্যে সভাস্থলে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন প্রবেশ করলে তাদের প্রতি ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও সরকার খেটেখুটে যে সুনাম অর্জন করে, তা ছাত্রলীগের একদিনের অপকর্মেই ধ্বংস হয়ে যায়।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘সিলেটে আমরা আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহের মতো একটি বড় কর্মসূচি পালন করে আসলাম। এরপরই সেখানে ছাত্রলীগের গণ্ডগোলে দুই জন মারা গেলো। এটি আমাদের দলের জন্য দুর্নাম।’ তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের কারণেই আওয়ামী লীগ বারবার ক্ষমতা হারায়।’
দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওবায়দুল কাদের এভাবে প্রায় ১০ মিনিট ধরে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর প্রতি বিষোদগার করেন। পরে তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের নির্দেশ দেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো ‘ঐতিহাসিক দলিলে’র স্বীকৃতি দেওয়ায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি হাতে নেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে এই সভায়।

তাসকিনের বিয়েতে লাখো তরুণীর স্বপ্ন ভঙ্গ

তাসকিনের বিয়ে

তাসকিনের বিয়েআকাশ২৪ রিপোর্টঃ বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা এখন লাখো কোটি তরুণীদের স্বপ্ন পুরুষ। নিজের অজান্তেই বর্ণিল স্বপ্নের জাল বুনে চলেছে এই তুরুণীরা। কারো কারো ভাগ্যে সেই স্বপ্নের মানুষ ধরা দিচ্ছে আবার কারো অধরায় থেকে যাচ্ছে। সবশেষে তাসকিনের বিয়ের খবরে ফেইসবুকে রীতিমত ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এখনো কোন খারাপ খবর পাওয়া না গেলেও না পাওয়ার বেদনার ছাপ তরুণীদের স্ট্যাটাসে স্পষ্ট। 

গতকাল মঙ্গলবার রাতে অনেকটা গোপনেই বিয়ে হয়ে গেল তাসকিনের। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সৈয়দা রাবেয়া নাঈমার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নাঈমা আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) অর্থনীতিতে স্নাতকের শিক্ষার্থী। তাসকিনও একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তাঁর বাবা আবদুর রশিদ অবশ্য জানান, তাসকিন দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার আগেই বিয়ের সব কিছু গুছিয়ে গিয়েছিলেন। তাসকিন আর রাবেয়া একে অপরকে পছন্দ করেন। গত বছর তাদের বাগদানও হয়েছে। বিপিএলের আগে তাসকিনকে চিটাগং ভাইকিংস দলে যোগ দিতে হবে। তাই দ্রুত বিয়ের কাজটা শেষ করতে হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগেই বিয়ের দিনক্ষন ঠিক করা হয় বলে জানা গেছে।  তিনি বলেন, আপাতত কাছের মানুষজন ছাড়া কাউকে জানানো হয়নি। সামনে সময় বের করে অনেক বড় অনুষ্ঠান করা হবে। জানা গেছে, বিয়েতে সতীর্থদের দাওয়াত করেছেন তাসকিন। বিপিএল নিয়ে ব্যস্ততা থাকায় বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই উপস্থিত হতে পারেননি অনুষ্ঠানে। তবে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

ইতোমধ্যে তাসকিন ও তার নববধূ্ নাঈমার বেশ কয়েকটি ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।   

শেষ পর্যন্ত মাশরাফির ইচ্ছে পূরণ হলো

Radio Edge

Radio Edgeআকাশ২৪ ডেস্কঃ শেষ পর্যন্ত মাশরাফির ইচ্ছে পূরণ হলো। ক্রিকেটার হিসেবে বেড় ওঠার দিনগুলোতে ভাবতেন দেশে যদি শুধুমাত্র খেলার কোনো চ্যানেল বা রেডিও থাকতো, তাহলে ভালো হতো। খেলাধুলা ভিত্তিক বেতার ‘রেডিও এজ’ চালু হয়েছে। উদ্বোধনের দিন মাশরাফি নিজে উপস্থিত ছিলেন।
কেক কাটার মধ্যে দিয়ে সম্প্রচার শুরু বিশেষায়িত রেডিও স্টেশনটির। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম, সাউথ এশিয়ান গেমসে স্বর্ণজয়ী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত, রেডিও এজ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাফকাত সামিউর রহমান, পরিচালক আশিক আহমেদ ও মির্জা শিবলী।
মাশরাফি বলেন, ‘আমরা খেলোয়াড় হিসেবে সবসময় চেয়েছি শুধুমাত্র ক্রীড়াজগত নিয়ে একটি চ্যানেল হোক। সেই চাওয়া আজ পূরণ হলো। রেডিও এজের মাধ্যমে সেই যাত্রা শুরু হলো। সামনে হয়তো টিভি চ্যানেলও চলে আসবে। শুধুমাত্র খেলার সংবাদ নিয়ে চ্যানেল হলে খেলোয়াড়রা উৎসাহিত হবে।
মামুনুল ইসলাম বলেন,‘বাংলাদেশের ক্রীড়াজগতকে উৎসাহিত করার জন্য কোনো বিশেষায়িত মিডিয়া ছিল না। রেডিও এজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলো। আশা করি, ধীরে ধীরে অনেক ক্রীড়া চ্যানেল হবে।’
মাবিয়া বলেন, ‘খেলাধুলা নিয়ে রেডিও স্টেশন হয়েছে। এখানে খেলাধুলার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা হবে। একটা সময় সব কিছুই দলিল হয়ে থাকবে। শুধু নতুনদের নিয়েই নয়, পুরনো খেলোয়াড়দের যেন আনা যায়।’

নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু

নির্বাচন-কমিশনে-ইসি

নির্বাচন-কমিশনে-ইসিআকাশ২৪ ডেস্কঃ নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কমিশন সোমবার দল নিবন্ধন সংক্রান্ত এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দল ইসিতে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে নিবন্ধন ফরম ও অন্যান্য তথ্যের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিবের (নির্বাচন সহায়তা ও সরবরাহ) সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দলের গঠনতন্ত্র, নির্বাচনী ইশতেহার (যদি থাকে), দলের বিধিমালা (যদি থাকে), দলের লোগো ও পতাকার ছবি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সব সদস্যের পদবিসহ নামের তালিকা, দলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও এর সর্বশেষ স্থিতি ও তহবিলের উৎস নিবন্ধনের আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে। এ ছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে আবেদন দেওয়ার দিন পর্যন্ত কোনো একটি সংসদ নির্বাচনে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে অন্তত একটি আসন পেয়ে থাকে তার দলিল, নির্বাচনে অংশ নিয়ে মোট ভোটের শতকরা ৫ ভাগ ভোট পেয়ে থাকলে তার প্রত্যয়নপত্র এবং দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর এবং অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় কার্যকর জেলা দপ্তর, অন্তত ১০০টি উপজেলা-থানায় কার্যকর দপ্তর এবং প্রতি উপজেলায় অন্তত ২০০ ভোটার সদস্য হিসেবে দলের তালিকাভুক্ত থাকার সমর্থনে প্রামাণিক দলিল আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে। আগে ৪২টি দল নিবন্ধিত থাকলেও ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয়েছে। এছাড়া উচ্চ আদালতের রায়ে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।
গত ২০০৮ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথম রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন-প্রক্রিয়া শুরু হয়। জরুরি অবস্থার সরকারের সময় এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করে। ওই অনুযায়ী আরপিও সংশোধন করা হয়। এতে বলা হয়, দলগতভাবে নির্বাচন করতে হলে সেই দলের নিবন্ধন থাকতে হবে। এর আগে যেকোনও রাজনৈতিক দল দলগতভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারতো।

স্পেন থেকে স্বাধীন হওয়ার পক্ষে রায় কাতালোনিয়ার

Catalonia

Cataloniaআকাশ২৪ ডেস্কঃ স্পেন থেকে স্বাধীন হওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছে দেশটির স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক পার্লামেন্ট। শুক্রবার অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ৭০ জন স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১০টি। দুটি ব্যালট ফাঁকা ছিল। তবে বিরোধী দলের এমপিরা ভোটাভুটিতে অংশ নেননি। ভোটাভুটির আগে আগে তারা পার্লামেন্ট থেকে ওয়াক আউট করেন।
কাতালোনিয়ার পার্লামেন্টে যে প্রস্তাবটির প্রশ্নে ভোটাভুটি হয়েছে সেখানে লেখা ছিল: ‘আমরা কাতালোনিয়া প্রজাতন্ত্রকে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক ও সামাজিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলব।’
প্রস্তাবটি পাস হওয়ার পর বার্সেলোনায় পার্লামেন্টের বাইরে জড়ো হওয়া স্বাধীনতাপন্থীরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। তবে ভিন্ন পরিস্থিতি দেখা গেছে মাদ্রিদে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্প্যানিশ সরকার যখন কাতালোনিয়ার ওপর সরাসরি কেন্দ্রীয় শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছে তখনই আঞ্চলিক পার্লামেন্ট এ রায় দিল। শুক্রবার স্প্যানিশ সিনেটে বক্তব্য দিতে গিয়ে কাতালোনিয়ায় সরাসরি কেন্দ্রীয় শাসন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সিনেটরদের প্রতি আহ্বান জানান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয়। কেবল তাই নয়, কাতালোনিয়ার নেতা কার্লেস পুজদেমন, তার ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং কাতালোনিয়ার সকল আঞ্চলিক মন্ত্রীদেরকে অপসারিত করতে চান বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, স্প্যানিশ সংবিধানের ১৫৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংকটকালীন সময়ে একটি অঞ্চলকে পরিচালনা করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করার ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। তবে এই ১৫৫ ধারা প্রয়োগ করা হবে কিনা সেই প্রশ্নে এখনও স্পেনের সিনেটে ভোটাভুটি হয়নি। সিনেটরদের ১৫৫ ধারা প্রয়োগের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্যই আহ্বান জানিয়েছেন রাজয়।
রাজয়ের মতে, কাতালোনিয়ায় ‘আইনের শাসন,গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা’ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন এবং এর কোনও বিকল্প নেই। তার অভিযোগ, কাতালোনিয়ার সরকার পরিবারগুলোকে এবং সমাজকে বিভক্ত করছে। এর মধ্য দিয়ে কাতালোনিয়ার রাজস্ব,পুলিশ ও সরকারি মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে মাদ্রিদ সরকার।
উল্লেখ্য,স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতার জন্য ১ অক্টোবর গণভোট আয়োজন করে কাতালোনিয়া। গণভোটে ৯০ শতাংশ মানুষ কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে রায় দিয়েছে। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চলতি সপ্তাহে কাতালোনিয়ারা নেতাদের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকারের চাপে পুইজমেন্ট সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে সরে এসে আলোচনার আহ্বান জানান। তবে,স্বাধীনতাকামীদের এ গণভোটকে স্পেনের সরকার বেআইনি ঘোষণা করে।

ঢাকায় কি বার্তা দিলেন সুষমা স্বরাজ

ঢাকায় কি করবেন সুষমা স্বরাজ

ঢাকায় কি করবেন সুষমা স্বরাজআকাশ২৪ ডেস্কঃ ঢাকায় সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন,  আমরা চাই নিরাপদে রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে ফিরে যাক। এ সঙ্কট নিরসনে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন দেখতে চায় ভারত।
রোববার (২২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
সুষমা বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের চ্যালেঞ্জগুলো একই। সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থী ও মৌলবাদিতা দুই দেশের চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নেওয়া জিরো টলারেন্স নীতির সঙ্গে আমরাও একমত হয়েছি।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে ভারত যেনো মিয়ানমারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করে সেজন্য আমারা অনুরোধ জানিয়েছি।
‘ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ-ভারত প্রতিবেশী দেশ, দুই দেশই পরস্পরের বিশ্বস্ত বন্ধু।’
বৈঠকে সুষমা স্বরাজকে এএইচ মাহমুদ আলী স্মরণ করিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, তার আমলেই তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন হবে। 

ট্যাবলেট বিতর্কে মেসি

ট্যাবলেট বিতর্কে মেসি

ট্যাবলেট বিতর্কে মেসিআকাশ২৪ ডেস্কঃ মেসিকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে সারা বিশ্বে। অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলছিল মেসি। ৩-১ গোলে জয়ও পেয়েছে বার্সেলোনা। এ ম্যাচে শততম ইউরোপিয়ান গোল করেছেন সময়ের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। ম্যাচের প্রথমার্ধেই নিজের মোজায় রাখা একটি ট্যাবলেট সেবন করতে দেখা যায় মেসিকে। প্রথমে সবার নজরে না এলেও পরে তা ভিডিওতে ধরা পড়ে। এ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে মাঠে মেসি কোনো নিষিদ্ধ ওষুধ সেবন করেননি বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা ডেইলি মেইল। ম্যাচের ১০ মিনিটে নিজের মোজা থেকে একটি ওষুধ বের করেন মেসি এবং তা মুখে দিয়ে দেন। টিভি ক্যামেরায় যা শনাক্ত করা অসম্ভব। তবে স্প্যানিশ গণমাধ্যম স্পোর্তো দাবি করেছে, তারা এ রহস্য উদঘাটন করতে পেরেছে। তাদের দাবি, মেসি মাঠে গ্লুকোজ ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন; যা নিষিদ্ধ নয়। সাধারণত ক্লান্তি দূর করতেই এ ধরনের ওষুধ সেবন করা হয়। এ ওষুধ অ্যাথলেটরা নিয়মিতই নিয়ে থাকেন। তবে ম্যাচের আগে বা ওয়ার্মআপের পর এ ওষুধ তারা সেবন করে থাকেন। ম্যাচের মাঝে ওই ওষুধ সেবনের তেমন কোনো নজির নেই। ম্যাচের মাঝে এ ধরনের ওষুধ সেবনে কোনো বিধিনিষেধ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্টরা।

বার্সেলোনার কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দেকে গত কাল ম্যাচের পর এ নিয়ে জিজ্ঞেস করেন সাংবাদিকেরা। ভালভার্দে বলেন, ‘‘মেসি গ্লুকোজ পিল নিয়েছেনাকি। আমি তো কিছুই জানি না। এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারব না আমি। যদি বড়িটা নিয়ে ও গোল করে থাকে, আবার নেওয়া উচিত ওর। 

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগ

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগ

সেনা নয়,সংসদ অক্ষুন্নসহ ইভিএম চায় আওয়ামীলীগআকাশ২৪ রিপোর্টঃ নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে অংশ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সংসদীয় আসন অক্ষুন্ন রেখে ইলেকট্রনিক ভোটের (ইভিএম) প্রস্তাব দিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) একএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপে ইসির সভাকক্ষে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেয়। বুধবার সকাল ১১টায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে বসে নির্বাচন কমিশন। প্রায় দেড়ঘন্টা ধরে চলা  এসময় দলটির পক্ষ থেকে ১১টি প্রস্তাব দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা, নির্বাচনের তিন মাস আগে পোলিং এজেন্টদের পরিচয় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়া।

নির্বাচন কমিশন থেকে বের হয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন- ‘তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রার্থীদের বাছাই করে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী চূড়ান্ত করা। নির্বাচন পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে সবোর্চ্চ সচ্ছলতা সর্তকতা অবলম্বন করা।’তিনি আরও বলেন, কোনো ভাবেই কোনো বিশেষ দল বা ব্যক্তির প্রতি আনুগত্যশীল হিসেবে পরিচিত বা চিহ্নিত ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব প্রদান না করা।
সংলাপে দেয়া আওয়ামী লীগের ১১ প্রস্তাব

১। আরপিও-১৯৭২ ও দ্য ডিলিমিটেশন অব কনস্টিটিউশনস অর্ডিনেন্স-১৯৭৬ এর বাংলা প্রশংসনীয়। আওয়ামী লীগের সমর্থন থাকবে। আরপিও ৯৪/এ অনুসরণযোগ্য।
২। নির্বাচনে অবৈধ অর্থ ও পেশিশক্তির ব্যবহার রোধকল্পে সংবিধানে বর্ণিত নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশনা ও বিদ্যমান নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা নিরপেক্ষ ও কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।
৩। প্রজাতন্ত্রের কর্মে ও নির্বাচনী দায়িত্বে ব্যক্তি সংস্থার অপেশাদার ও দায়িত্বহীন আচরণে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা।
৪। বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের পরিবর্তে প্রজাতন্ত্রের দায়িত্বশীল কর্মচারীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার পদে নিয়োগ করা।
৫। নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রার্থীদের বাছাই করে সংশ্নিষ্ট রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের একটি চূড়ান্ত প্যানেল প্রণয়ন করা। প্রয়োজনে আরপিও এর প্রয়োজনীয় সংশোধন করা।
৬। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও সতর্কতা নিয়োগ। বিশেষ দল বা ব্যক্তির প্রতি আনুগত্যশীল ব্যক্তি বা সংস্থাকে দায়িত্ব না দেয়া।
৭। সাংবাদিকদের নির্বাচনী বিধিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালনে নির্দেশনা। গণমাধ্যম কর্মীদের উপযুক্ত পরিচয়পত্র প্রদান ও দায়িত্বকর্ম এলাকা নির্ধারণ।
৮। প্রার্থীদের নিয়োজিত পোলিং এজেন্টদের তালিকা ছবিসহ নির্বাচনের ৩ দিনের আগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রদান। প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক নিশ্চিত করে কেন্দ্রে প্রবেশ ও ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র অবস্থান নিশ্চিত করা।
৯। সুষ্ঠু নির্বাচনে বর্তমান বিধিবিধানের পাশাপাশি আধুনিক রাষ্ট্রসমূহের মতো ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা।
১০। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনির হাতে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেয়া। প্রতিরক্ষা বাহিনিকে আইনশৃঙ্খলা কাজে অন্তর্ভুক্ত করতে কোন কোন রাজনৈতিক দলের প্রস্তাব দেয়া আইন ও সাংবিধানিক নিয়মে সাংঘর্ষিক। আইনশৃংখলার ক্ষেত্রে কোন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা বাহিনিকে নিয়োগ করা যাবে তা ফৌজদারি কার্যবিধি ও সেনা বিধিমালায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। প্রতিরক্ষা বাহিনিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনির দায়িত্ব দিলে তাদের মর্যাদা বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১১। নতুন আদমশুমারি ব্যতিত নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য সীমানা পুনর্নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সীমানা পুনর্নির্ধারণ না করা।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাচন ভবনে পৌঁছান আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের নেতারা। প্রতিনিধিদলে ছিলেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম ও মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও মশিউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান ও রমেশ চন্দ্র সেন, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ জমির ও মো. রশিদুল আলমও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজুল কবির কাওছার।

অবশেষে দেশের মাটিতে খালেদা জিয়া

Khaleda-Zia-BNP

Khaleda-Zia-BNPআকাশ২৪ রিপোর্টঃ দীর্ঘ  তিন মাসের বেশি সময় লন্ডনে অবস্থানের পর দেশের মাটিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আজ বুধবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার দেশে আসা না আসা নিয়ে ছিল নানান গুঞ্জন। দলের ভিতরে বাহিরে এ নিয়ে চলছিল আলোচনা সমালোচনা। সব জল্পনা কল্পনার অসবাস ঘটিয়ে খালেদা জিয়া এখন বাংলাদেশে।

বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানে বাসভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন।
এর আগে খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি পান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, দেহরক্ষী মাসুদ রানা ও গুলশানের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের কর্মচারী জসিম।

খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরের বাইরে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী ভিড় জমিয়েছেন। বনানীর রেডিসন ব্লু হোটেল পর্যন্ত বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ছাত্রদলসহ অন্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও দলে দলে যোগ দিয়েছেন।
এর আগে লন্ডনের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা ১৫ মিনিট) খালেদা জিয়াকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি (ইকে-৫৮৬) হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে ছাড়ে।
বিমানে ওঠার আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া। ভিআইপি টার্মিনাল থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এই বক্তব্য দেন তিনি। নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরের বাইরে দাঁড়িয়ে দলীয়প্রধানের বক্তব্য শোনেন।
পরে দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী এমন একসময়ে দেশে ফিরছেন, যখন তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
বাসে পেট্রলবোমা হামলার মামলায় গত ৯ অক্টোবর বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন বেগম। এ ছাড়া ১২ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকায় দুটি আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মানহানির মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নবী এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আক্তারুজ্জামান এ দুটি পরোয়ানা জারি করেন।
বিএনপি মনে করে, রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন।

সোমালিয়ায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। নিহত বেড়ে ২৭৬

Somalia

Somaliaআকাশ২৪ ডেস্কঃ শনিবার সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুতে ঘটে যাওয়া বোমা বিস্ফোরনে নিহতদের স্মরনে  রবিবার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহি মোহাম্মাদ ফার্মাজো। তিনি বলেন, ‘নিরাপরাধ মানুষের মৃত্যুতে আমার তিন দিনের শোক পালন করব, জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত রাখা হবে। এখন সময় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং একত্রে প্রার্থনা করার। সন্ত্রাসীরা কখন জিততে পারবে না। ’ টুইটারে দেওয়া ওই ঘোষণায় তিনি আহতদের এবং নিহতদের পরিবারকে সহযোগিতা করতে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান।

শনিবারের ভয়াবহ গাড়ি বোমা হামলায় নিহত বেড়ে অন্তত ২৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছে তিন শতাধিক লোক। দেশটির তথ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে আলজাজিরা এ খবর জানিয়েছে। মোগাদিসুর একটি অভিজাত হোটেলের প্রবেশপথে প্রথমটি এবং মেদিনা এলাকায় অপর বোমা হামলাটি চালানো হয়। 

স্থানীয় পুলিশ বলছে, সরকারি বিভিন্ন ভবন সংলগ্ন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সাফারি হোটেলের প্রবেশপথে প্রথমে একটি লরিতে ভরে আনা বোমার বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। এতে হোটেলটির একাংশ ধসে পড়ে। ধসে যায় পাশের কয়েকটি ভবনও। আগুন ধরে যায় আশপাশের গাড়িগুলোতে। পুরো রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে বিধ্বস্ত ভবন ও গাড়ির খণ্ডাংশ।এরপর চার বন্দুকধারীর প্রবেশপথ দিয়ে ভেতরে ঢুকতে চাইলে তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবিনিময় শুরু হয়। বেশ কিছু সময় ধরে চলে মুহুর্মূহু গুলিবিনিময়। এসময় ঘটনাস্থলেই বেশ কিছু লোক নিহত হয়। হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যায় আরও কিছু লোক। হামলার পর পুরো রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে বিধ্বস্ত ভবন ও গাড়ির খণ্ডাংশ। এখানে-সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় মরদেহ। আহতদের রোনাজারিতে পুরো মোগাদিসুর আকাশ ভারী হয়ে ওঠে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, বোমা-গুলিতে যেমন মানুষ মরেছে, তেমনি ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়েও মৃত্যু হয়েছে অনেকের। সাফারি হোটেলে হামলার দু’ঘণ্টা পর রাজধানীর উপকণ্ঠের মেদিনা এলাকায় আরেকটি গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। সেখানে মারা যায় আরও বেশ কিছু লোক। 

২০০৭ সালে বিদ্রোহ শুরু করার পর থেকে এটি দেশটিতে চালানো অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা। এ দুটি হামলায় বহু লোক আহত হয়েছে। কারা এই হামলা চালিয়েছে তা পরিষ্কার নয়।দেশটির সরকারের সঙ্গে যুদ্ধরত আল শাবাব নিয়মিত বিরতিতে রাজধানীতে হামলা চালিয়ে থাকে।জঙ্গিগোষ্ঠী আল কায়েদার সঙ্গে আশ শাবাবের সম্পর্ক আছে বলে দেশটির সরকার দাবি করছে।